Blog

Keep up to date with the latest news
National University 2020

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষায় উপস্থিতি ও ইনকোর্সের জন্য নির্ধারিত ২০ নম্বর তুলে দেয়া হচ্ছে।

Share it

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষায় উপস্থিতি ও ইনকোর্সের জন্য নির্ধারিত ২০ নম্বর তুলে দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সগুলোতে ৮০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ শনিবার গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সিনেট হলে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৯১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ। এছাড়াও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৩৩ জন সদস্য উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৯১তম সভায় ইনকোর্স পরীক্ষা বাতিল, কোর্সগুলোতে ৮০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বরের পরীক্ষাসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিধান্ত নেওয়া হয়।

আরো পড়ুন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রমোশনের নিয়মাবলী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের  এ সভায় অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষায় উপস্থিতি ও ইনকোর্স পরীক্ষায় নির্ধারিত ২০ নম্বর না রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কোর্সগুলোতে ৮০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যার ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনকোর্স পরীক্ষা বাতিল হতে যাচ্ছে। পাশাপাশি অনার্স মাস্টার্স এ ৮০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হতে যাচ্ছে।
শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে careertipsbd.com এর চ্যানেলের সাথেই থাকুন।

এদিকে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৯১তম সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বঙ্গবন্ধুর উপর এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রির কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত হয়। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তা, সমাজ ভাবনা ও আদর্শ’ শীর্ষক গবেষণার বিষয়বস্তুর ওপর এ এমফিল-পিএইচডি কোর্স চালু হবে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পরিচালিত এমফিল লিডিং টু পিএইচডি রেগুলেশন ২০১৯ ও সিলেবাস অনুমোদন করা হয়।

এছাড়া ইন্সটিটিউটের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে ২০ জন শিক্ষকের পদ সৃষ্টির অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধিতে সংশোধন আনা হয়েছে। সংশোধনে গভর্নিং বডির নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৩ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সভায় ২ জনকে এমফিল ও ১ জনকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের বিষয়টিও অনুমোদন করা হয়।

আরো পড়ুন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং সিস্টেম ও সিজিপিএ নির্ণয় করার পদ্ধতি

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় পাশ মার্ক কত এবং পরীক্ষার সময়কাল কতক্ষণ হবে এ ব্যাপারে এখনও সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। পরবর্তীতে যখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৯১তম সভার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো কার্যকর হবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। এর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ও মাস্টার্স পরীক্ষায় উপস্থিতি ও ইনকোর্স পরীক্ষায় ২০ নম্বর নির্ধারিত ছিল এবং ৮০ নম্বরের ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হত।

করোনা ভ্যাকসিন আসার আগে স্কুল-কলেজ খোলা ঠিক হবে না । কায়েশ ইসলাম ও ইশান ইসলাম দুই ভাই। তারা রাজধানীর মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণি এবং সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবার সঙ্গে যাত্রাবাড়ীতে থাকে। তাদের মা জাকিয়া ইসলাম জুথী বলেন, ‘ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। করোনার কোনো ভ্যাকসিন এখনো আসেনি। এই অবস্থায় সরকার যদি স্কুল-কলেজ খুলে দেয়, তবে ঠিক হবে না।’

সন্তানদের নিয়ে আতংকে দিন কাটছে মা জাকিয়ার। তিনি আরও বলেন, আগে করোনা পরিস্থিতি কেটে যাক, দেশে যদি ভ্যাকসিন আসে, তারপর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হবে। এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতেও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে।

শিহাব উদ্দীন এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। ঘরবন্দি অবস্থায় স্থগিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি বলেন, করোনার কারণে উচ্চ মাধ্যমিকের (এইচএসসি) পরীক্ষা পিছিয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা ছন্দপতনও হয়েছে। এরপরও করোনা পরিস্থিতি অনুকূল পরিবেশে না আসা পর্যন্ত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকাই উত্তম। এতে অন্তত শিশু শিক্ষার্থীরা এখনও নিরাপদে আছে।

ঢাকা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী মা বলেন, আগে জীবন, তারপর পড়াশোনা। সন্তান বেঁচে থাকলে, সুস্থ থাকলেই তো সে কলেজে যেতে পারবে। শিক্ষিত হবে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো অভিভাবকই চাইবে না যে তার সন্তান ঝুঁকি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যাক। পাঁচ মাস বন্ধে শিক্ষার্থীদের যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে। আরও কিছুদিন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে খুব বেশি ক্ষতি হবে বলে আমি মনে করি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *